শিরোনাম
কাইয়ুম চৌধুরী, সীতাকুন্ড প্রতিনিধি | ২০:৫০, জুলাই ৮, ২০২১
সরকারী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ডের চোখ ফাঁকি দিয়ে সাগর থেকে মাছ ধরছে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড উপজেলার জেলেরা। দেশের মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধিতে গত ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় সব ধরনের মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। সাগরে সব প্রজাতির মাছের প্রজনন বৃদ্ধি ও ইলিশ বড় হওয়ার সুযোগ করে দিতেই সরকারী এই পদক্ষেপ। জেলেদেরকে এ সময়ে সাগরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। এ জন্য উপকূলীয় এলাকায় সচেতনতা, মাইকিং ও পোস্টার সাঁটানো হয়েছে। এছাড়া কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ, নৌবাহিনী সাগর ও উপকূলে পাহারায় রয়েছে।
উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ৬৫ দিন নিষেধাজ্ঞা পালনে জেলেদের উৎসাহিত করতে উপজেলার প্রত্যেক জেলেকে ৫৬ কেজি চাল সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু সরকারী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড উপজেলার জেলেরা মাছ ধরছে সাগর থেকে। সীতাকুন্ড উপজেলার বেশ কয়েকটি বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, বেশ কয়েক ধরনের সামুদ্রিক মাছ বিক্রি করতে। দামও খুব চড়া।
নিষেধাজ্ঞার মধ্যে কিভাবে সমুদ্রের মাছ বিক্রি করছেন জানতে চাইলে উপজেলার ভাটিয়ারী বাজারের মাছ বিক্রেতা স্বপন জলদাস বলেন, লকডাউনের মধ্যে খুব কষ্টে আছি। এখন সাগরে মাছ ধরা নিষেধ থাকলেও মাঝে মধ্যে সাগরে যাই। মাছ না ধরলে খাবো কী?।
ভাটিয়ারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজীম উদ্দিন বলেন, সরকার কর্তৃক ৬৫ দিন সামুদ্রিক জলসীমায় সব ধরনের মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ করার ফলে জেলেদের জন্য ৫৬কেজি করে চাউল দেওয়া হচ্ছে। এরপরও কিছু কিছু জেলে আইন অমান্য করে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে সাগরে গিয়ে মাছ ধরছে।
এব্যাপারে জানতে সীতাকুন্ড উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শামীম আহমেদ’র মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।
Developed By Muktodhara Technology Limited