শিরোনাম
পটিয়া প্রতিনিধি | ২১:০৯, জুলাই ১২, ২০২১
২৬ বছরের পুরোনো একটি মসজিদ থাকার পরও ওহাবী-সুন্নি বিরোধে ২০গজের মধ্যেই আরেকটি মসজিদ নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।ইতোমধ্যে থানায় একপক্ষ অভিযোগও দায়ের করেছে বলে প্রশাসন নিশ্চিত করেছে।
ঘটানাটি পটিয়া উপজেলার ছনহরা ইউনিয়নের আলমদারপাড়া গ্রামে।
এ ঘটনায় স্থানীয় সুন্নি পন্থী জনসাধারণ পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পটিয়া থানা ও ছনহরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে পৃথক স্মারকলিপি প্রদান করেছেন। এছাড়া উত্তেজিত এলাকাবাসী নতুন মসজিদ নির্মাণের নামে ধর্মীয় সংঘাত ও মুসলিম সমাজকে দ্বিধা-বিভক্তের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার ঘোষণা দেন। এ নিয়ে যে কোন মুহুর্তে সংঘর্ষের আশংকা করছে এলাকাবাসী।
এ ব্যাপারে সুন্নি আকিদার লোকজনের পক্ষ থেকে ১১ জুলাই (রবিবার) পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে স্থানীয় রাশেদ ফারুক আলমদার নামের একব্যক্তি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
জানা গেছে, ছনহরা ইউনিয়নের আলমদারপাড়া গ্রামের সুন্নি আকিদার লোকজন বিগত ১৯৯৬ সালে বায়তুশ শরফ জামে মসজিদ নির্মাণ করে সেখানে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করছেন। এছাড়াও রয়েছে হেফজখানা ও একটি এতিমখানা। কিন্তু সুন্নি আকিদার লোকজনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করার জন্য হেফাজতের লোকজন ২০ গজের ব্যবধানে আরেকটি মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু করেছে। এতে যেকোন মুহুর্তে রক্তপাতের আশংকা করছে এলাকাবাসী।
সুন্নি আকিদার ও বায়তুশ শরফ মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি কাজী জসিম উদ্দিন জানান, ২৬ বছর পূর্বে প্রতিষ্ঠিত মসজিদ মাদ্রাসা ও ইসলামী শিক্ষা কমপ্লেক্সের পাশে মাত্র ২০গজের ব্যবধানে আরেক মসজিদ মাদ্রাসা নির্মাণ করে এলাকার ধর্মীয় শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে বিঘ্নিত করার চেষ্টা করছে একটি মহল। এ নিয়ে এলাকায় মানুষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
কওমী পন্থী ও নতুন মাদ্রাসা মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা মৌলানা আমিনুল হক জানান, আগের মসজিদে মুসল্লিদের ধারণ ক্ষমতা হয়না। সে জন্য পার্শ্ববর্তী আরেকটি মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে ধর্মীয় সংঘাতের কি আছে।
পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ জানিয়েছেন, ২০ গজের ব্যবধানে আরেকটি মসজিদ নির্মাণ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ তিনি পেয়েছেন। বিষয়টি যাচাই করে শীঘ্রই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Developed By Muktodhara Technology Limited