শিরোনাম
রাউজান প্রতিনিধি | ১৪:০৭, জুলাই ১৩, ২০২১
সরকার ঘোষিত লকডাউনের প্রথমদিকে কঠোর লকডাউন দেখা গেলেও এখন তা দেখা যাচ্ছে না। অনেকটা সরব হয়ে উঠেছে রাউজান। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অপ্রয়োজনে মানুষের যাতায়াত, গণপরিবহন ও দোকানপাঠও খুলতে দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামের ভেতরে যেন লকডাউন নেই। প্রধান সড়ক থেকে গ্রামের অবস্থা অনেকটা নাজুক। সর্বত্র মানুষের উপস্থিতি চোখে পড়ার মত। এছাড়া চলাচলে সিএনজিচালিত অটোরিকশা যেন থামানোই যাচ্ছে না।
তবে উপজেলা প্রশাসন বলছে- নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছেন। পুলিশ, র্যাব-৭, ও আনসার বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে টহল দিচ্ছেন। এসময় অকারণে ঘর থেকে বের হওয়া, গণপরিবহন নিয়ে আসা ও লকডাউন অমান্য করে দোকান খোলা রাখার অপরাধে জরিমানা আদায় করছেন।
সরজমিনে দেখা যায়, রাউজানের বিভিন্নস্থানে মানুষের জটলা। অনেকের মুখে নেই মাস্ক। প্রশানের উপস্থিতি বা সাইরেন শুনলেই সরে পড়ছেন। অনেক দোকানদারকে দেখা গেছে শাটারের এক অংশ খোলা রেখে জিনিসপত্র বিক্রি করতে। যখনই সাইরেনের শব্দ শুনছেন, শাটার বন্ধ করে দেন। প্রশাসনের কর্মকর্তারা স্থান ত্যাগ করলে আবারও শাটার খুলে দেন। এই যেন চোর পুলিশ খেলা।
রাউজান উপজেলার মুন্সিরঘাটা চত্ত্বরে দেখা গেছে, সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করছে। জলিলনগর বাসস্টেশন থেকে মুন্সিরঘাটা হয়ে গাড়িগুলো বেরুলিয়া ও গহিরার দিকে যাতায়াত করছে। এসময় পরিবহনচালকদের নির্দিষ্ট ভাড়ার চেয়ে দ্বিগুণ ভাড়া
আদায় করতে শোনা গেছে।
রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জোনায়েদ কবির সোহাগ বলেন, প্রতিদিনই আমরা অভিযান ও টহল দিচ্ছি। উপজেলার উত্তর ও দক্ষিণ অংশে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে জরিমানা আদায় করছি। আমাদের সহকারী কমিশনারও (ভূমি) দক্ষিণ দিকে টহলে
থাকেন। মানুষের সচেতনতা কম। আমাদের আরও বেশি সচেতন হতে হবে।
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল হারুন বলেন, রাউজান থানার পুলিশের একদিক টিম মাঠে থেকে কাজ করছে। বিভিন্নস্থানে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। কোন কারণ ছাড়া যে সকল গাড়ি বের হয়েছে বা সুনির্দিষ্ট কারণ দেখাতে পারেনি তাদেরকে থানায় নিয়ে আসা হচ্ছে। শনিবারও অনেক সিএনজিচালিত অটোরিকশা থানায় নিয়ে আসা হয়। তবে এখনও অনেক মানুষ সচেতন না।
Developed By Muktodhara Technology Limited