শিরোনাম
লোহাগাড়া প্রতিনিধি | ২২:৫৮, জুলাই ১৩, ২০২১
ছোট বেলা থেকেই শখের বশে গরু পালন করে আসছেন আবদুল মন্নান। তিনি উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের সমশু হাজী পাড়ার মৃত আছহাব উদ্দিনের পুত্র।
গত কোরবানিতেও ১৫টি গরু বিক্রি করেছেন। এবছর করোনার কারণে বেশি গরু পালন করেননি। এবার পালন করেছেন একটি দেশাল জাতের গরু। তার নাম ‘শাš’Í। শান্ত’র ওজন প্রায় ১৭ মন। তার গায়ের রং লালচে। লম্বায় যেমন, উচ্চতাতেও তেমন। তাই প্রতিদিন ষাঁড়টি দেখতে দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন।
আবদুল মন্নান জানান, ছোট বেলা থেকে গরু লালনপালন করে আসছি। গরু পালন নেশার মতো হয়ে গেছে। ষাঁড়টির খাবারের জন্য তাঁকে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার টাকা ব্যয় করতে হয়। ষাঁড়টি গত এগার মাস ধরে তিনি লালন পালন করে আসছেন। ৮ ফুট লম্বা ও ৫ ফুট উচ্চতার ষাঁড়টির ওজন প্রায় সতের মণ বলে জানান তিনি। এ ছাড়া ষাঁড়টির বিক্রয়মূল্য ৮ লাখ টাকা প্রত্যাশা করছেন বলে জানান তিনি। শখের বশে আদর ভালোবাসায় লালন-পালন করায় ষাঁড়টির সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। তিনি ডাকলে শান্ত তাঁর দিকে ছুটে আসে। শান্ত’র খাবারে কৃত্রিম কোনো কিছু ব্যবহার করা হয় না। প্রাকৃতিক খাদ্য খৈল, ভুট্টা, ভুসি, কলা, ভাত ও খড়-ঘাস খাওয়ানো হয়।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এ এম খালেকুজ্জামান জানান, ষাঁড়টি বিক্রির জন্য উপজেলার অনলাইন হাটে ছবিসহ দেয়া হয়েছে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে শান্তকে তিনি নিয়মিত চিকিৎসা দিয়ে আসছে। প্রাকৃতিক উপায়ে ষাঁড়টিকে লালন-পালন করায় তার মাংস সুস্বাদু হবে বলে তিনি জানান।
Developed By Muktodhara Technology Limited