image

আজ, শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬ ইং

৭ মার্চের ঐতিহাসিক বক্তৃতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে বিশ্ব দরবারে অনন্য উচ্চতায় নিযে গেছেন

মোঃনেজাম উদ্দীন নিজাম    |    ২৩:০৭, মার্চ ৭, ২০১৯

image

পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে ক্যারিশম্যাটিক নেতার নাম বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ এর সেই জাদুকরী বক্তৃতা-ই তার প্রমাণ।

হাজার নয়,লক্ষ নয়,কোটি কোটি বার শুনতে ইচ্ছে করে যতোবার শুনি ততোবার শুনতে ইচ্ছে করে বাঙালীর রাখাল রাজা,রাজনীতির কবি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৭'ই মার্চ এর সেই ভাষণ।

যতোবার শুনি ততোবার অশ্রুজলে সিক্ত হয় নয়ন, গায়ের পশম খাড়া হয়ে যায়, দেহে হয় কম্পন, যখন শুনি জনকের কন্ঠে কবিতার সুরে ""এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম""

৭'ই মার্চ দিনটিতে জনকের সেই অমর বক্তৃতার মাধ্যমে ওঠে এসেছিলো ৭ কোটি বাঙালীর প্রাণের কথা, অধিকারেরর কথা, মুক্তির কথা, স্বাধীনতার কথা। সেইদিন ৭ কোটি বাঙালী গেয়েছিলো নেতা মুজিবের কন্ঠে মুক্তির গান, হাতে লাঠি, কন্ঠে স্লোগানের মাধ্যমে ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে নারী-পুুরুষ সকলে মিলে কাঁপিয়েছিলো শাসক গোষ্ঠীর গদি।

১৮মিনিটের একটি বক্তৃতা পাল্টে দিয়েছিলো পুর্ব পাকিস্তানের নামটি। রব উঠেছিলো স্লোগানে "বীর বাঙালী অস্ত্র ধর, বাংলাদেশ স্বাধীন কর" বাশের লাঠি তৈরি কর, বাংলাদেশ স্বাধীন কর" আমি কে তুমি কে- বাঙালী বাঙালী" পদ্মা মেঘনা যমুনা তোমার আমার ঠীকানা" তোমার দেশ আমার দেশ, বাংলাদেশ বাংলাদেশ" "আমার নেতা তোমার নেতা, শেখ মুজিব শেখ মুজিব"
 
সেই ৭'মার্চ রাজনীতির কবি, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালীর মুক্তির সনদ, অমর সে ভাষণ প্রধানের মাধ্যমে স্বাধীনতা শব্দটি আমাদের করে দিয়েছিলেন। তাঁর এ বক্তৃতার মাধ্যমে পথ দেখিয়ে দিয়েছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষদের।

৫২এর ভাষা আন্দোলন, ৫৪ এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ৬২ এর শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬ এর ৬ দফা, ৬৯এ র গণঅভ্যুত্থান, ৭০ এর নির্বাচনে বিজয় পরবর্তীতে স্বাধীনতার ঘোষণা, মুক্তিযুদ্ধ, বিজয় বাংলাদেশ সব কিছুতেই নেতা মুজিবের দুরদৃষ্টি ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্ব গুণে বীর বাঙালী পেয়েছে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র।

কেমন অকৃতজ্ঞ আমরা !?  যে মহান নেতার চিন্তার ফসল স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, বিজয় বাংলাদেশ, একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র সেই নেতাকেই হত্যা করেছি আমরা। যে নেতার নেতৃত্ব গুণে একটি স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়ে বাঙালী হয়েছে গর্বিত, সেই নেতাকে হত্যা করে আমরা হয়েছি লজ্জিত। কি হারিয়েছি আমরা ? একটি স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি, একজন বঙ্গবন্ধুকে হারিয়েছি।
 
আমি গর্বিত, এমন নেতার যেই দেশে জন্ম সেই দেশেই আমার জন্ম। সেই নেতারই হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের আমি একজন কর্মী। যে সংগঠন ৫২,৫৪,৬২,৬৬,৬৯,৭০ এবং ৭১ এ বাঙালীর ক্লান্তিকালে যুগিয়েছে সাহস, অগ্রভাগে থেকে দিয়েছে নেতৃত্ব, ঝরিয়েছে রক্ত, হারিয়েছে প্রাণ, সেই সংগঠনের একজন কর্মী আমি। পিতা মুজিব আদর্শের আমি একজন গর্বিত সৈনিক। 

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু । জয়তু শেখ হাসিনা। 

লেখক : সাবেক যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক, পটিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ ও সভাপতি, পটিয়া উপজেলা স্টুডেন্টস ফোরাম।



image
image

রিলেটেড নিউজ

Los Angeles

১৮:০৯, মে ১২, ২০২২

বজ্রপাত হচ্ছে-সাবধান হই


Los Angeles

১২:২৮, অক্টোবর ৭, ২০২১

“কয় জন ভালো নয়, সয় জন ভালো হয়”


Los Angeles

০০:৫৯, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১

বাংলাদেশের ফুটবলের কলংকিত দিন ১৯৮২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর !


Los Angeles

১১:৩৪, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১

প্রকৃতিতে নয়, কেবল কাগজের নোটেই আছে ‘জাতীয় পাখি দোয়েল‘


Los Angeles

২২:১২, সেপ্টেম্বর ১, ২০২১

ফুটবলের মরা গাঙে কি আবার জোয়ার আসবে ?


Los Angeles

২৩:০৮, আগস্ট ১৫, ২০২১

শাসক নয় বঙ্গবন্ধু আপাদমস্তক সেবক ছিলেন


Los Angeles

১৮:৫৭, আগস্ট ১৩, ২০২১

আড্ডা যেন এক উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়


Los Angeles

০০:০৪, আগস্ট ৮, ২০২১

বাইরে মুক্তির কল্লোল ও বন্দী একটি পরিবার


image
image