শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০০:৪৯, ডিসেম্বর ২৪, ২০১৯
অজ্ঞতা আর কুসংস্কারকে পিছনে ফেলে বাংলাদেশের নারীরাও সমানতালে পুরুষের সাথে ব্যবসা বাণিজ্যে নিজেদের সম্পৃক্ত করে যোগ্যতার প্রমাণ রাখতে সক্ষম হয়েছে। শিক্ষা-দীক্ষায় যেমন মেয়েরা এগিয়েছে তেমনি বড়-মাঝারি ও ছোট নানা রকম ব্যবসার সাথে জড়িত হয়ে তারাও সফল উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন বলে দাবী করেছেন জাতীয় এসএমই এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি মাসুদা এম রশিদ চৌধুরী এমপি।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টায় নগরীর আগ্রাবাদস্থ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত চতুর্থ আন্তর্জাতিক এসএমই মেলার সমাপনী দিবসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত মন্তব্য করেন।
মাসুদা এম রশিদ চৌধুরী এমপি বলেন, ৫১ বছর আগে ব্যবসা শুরু করেছিলাম, তখন কিন্তু ব্যবসা বাণিজ্যের এত অনুকুল পরিবেশ ছিলনা। বাবা পাকিস্তান এবং বাঙালীদের মধ্যে প্রথম এক্সপোর্ট এবং ইমপোর্ট ব্যবসায়ী ছিলেন। ৬৫সালে সেটার পুরষ্কারও জিতেছিলেন। কিন্তু আমি ওনার সাহায্য নিইনি। নিজের জমানো টাকা দিয়েই প্রথম হস্তশিল্প ব্যবসা শুরু করেছিলাম। ব্যবসায়িক ধারাবাহিকতায় ৯৬ সালে আমি ফিলিপিনে অনুষ্ঠিত এসএমই সম্মেলনে এশিয়ার মধ্যে সেরা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার পুরষ্কার জিতেছিলাম। ২০১৪ সালে সাইথ এশিয়ান এসএমই ফোরাম আমাকে লাইফটাইম এচিভমেন্ট এওয়ার্ড দিয়েছিল ১৫ হাজার নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টির জন্য।
তিনি আরও বলেন, ব্যবসা করলে নারীদের সাহস বাড়ে। মনোবল তৈরী হয়। তাদের পরিবারগুলো স্বচ্ছল হয় এবং সন্তানদের পিছনে অর্থ ব্যয়ের সুযোগ থাকায় তাদেরকে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা যায়।
তিনি বলেন, নারীরা এগিয়ে যাচ্ছে। তারা অনেক কাজ করছে। গ্রামের নারীদেরকে এসএমই’র সাথে বেশী বেশী সম্পৃক্ত করা গেলে দেশের অর্থনীতিতে তারা অনেক ভূমিকা রাখতে পারবে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নারীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অনেক বেশী আন্তরিক। এ ধরণের মেলায় নারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়ার জন্য তিনি চট্টগ্রাম চেম্বার নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান।
এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রামে চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলম।
পরে মেলায় প্রাইম জোনে ১৯টি ও জেনারেল জোনে ৩৮টিসহ ৫৭টি স্টল অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে সেরা স্টলসমূহকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।
Developed By Muktodhara Technology Limited