image

আজ, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ইং

চট্টগ্রামে পাহাড়ের নিকটবর্তী শতাধিক পরিবারকে সরিয়েছে জেলা প্রশাসন

প্রতিবেদক    |    ২৩:০৫, অক্টোবর ২৩, ২০২০

image

পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদ’র নির্দেশনায় শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল থেকেই জেলা চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেনের তত্ত্বাবধানে মহানগরীর মহানগরীর অভ্যন্তরে ঝুঁকি পূর্ণ ১৭টি পাহাড় এবং বায়েজিদ-ফৌজদারহাট সিডিএ লিংক রোড এলাকায় করোনাকালীন সময়ে নতুন ঝুঁকি পূর্ণ ১৬ টি পাহাড়ে মাইকিং কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

কাট্টলী সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তৌহিদুল ইসলাম পাহাড়ের ঝুঁকি পূর্ণ স্থাপনা থেকে লোকজনকে অপসারণ অভিযান পরিচালনা করেন।

আকবর শাহ থানাধীন ফিরোজ শাহ এলাকাস্থ ঝিল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। কাট্টলী সার্কেলাধীন ফয়েজ লেক সংলগ্ন ঝিল-১,২ ও ৩ নং এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি বসতি থেকে ১০০ টির মতো পরিবারকে অপসারণ করা হয়েছে।

অপসারণকৃত পরিবারের মধ্যে ৩০ টি পরিবারকে ফিরোজ শাহ পি-ব্লক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আশ্রয় কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। এখানে উল্লেখ্য যে, ফয়েজ লেক ও আশেপাশের এলাকার প্রায় ৩৩৬ একরের মতো জায়গা কনকর্ড গ্রুপকে রেলওয়ে বিনোদন পার্ক হিসেবে ব্যবহারের জন্য লীজ দিয়েছিল। ২০১৭ সালে রেলওয়ে কনকর্ড গ্রুপের সাথে লীজ বাতিল করে। যার বিরুদ্ধে মহামান্য হাইকোর্টে রীট দায়ের করে কনকর্ড গ্রুপ।

ঐ রীটে মহামান্য হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ জারি করে। এরপর ফয়েজ লেক এলাকার চারদিকের পাহাড়ি জমিতে স্থানীয়রা অপদখল চালায়। লীজ গ্রহীতা কনকর্ড গ্রুপ ও রেলওয়ের নজরদারির ঘাটতিতে ঝিল এলাকায় পাহাড়ি জমি কেটে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে। উচ্চ আদালতে রীটটি এখনো অনিষ্পন্ন থাকায় রেলওয়ে কিংবা কনকর্ড গ্রুপের পক্ষ থেকে সময়োচিত পদক্ষেপও গ্রহণ করা হচ্ছে না। ঝিল এলাকায় বিভিন্ন এনজিও সংস্থাও কাজ করছে। ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়েই এনজিওর অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে বিভিন্ন প্রকল্প। নির্মাণ করা হয়েছে ঘর, স্কুল, টয়লেট ইত্যাদি। এমনকি আজকে পরিদর্শনের সময় স্থানীয়রা জানায় ঝিল এলাকায় জাইকার অর্থায়নে ওয়াসার পক্ষ থেকে সুউচ্চ পাহাড়ি এলাকায় সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে।



image
image

রিলেটেড নিউজ

Los Angeles

১২:৪১, মে ১৩, ২০২২

এক হাজার অটোরিক্সা ডাম্পিং করলো চট্টগ্রাম বিআরটিএ


image
image