শিরোনাম
প্রতিবেদক | ০০:৫৩, অক্টোবর ৩০, ২০২০
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে দেশে বৈপ্লবিক পরিবর্তন হয়েছে। এ উন্নয়ন ও পরর্বিতন ধরে রাখতে সকলরে একতাবদ্ধভাবে কাজ করতে হব।ে দারিদ্র দূর করতে এবং গ্রামীন অর্থনীতিকে সচল করতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উদ্যোক্তা সৃষ্টি করতে হবে।
মন্ত্রী বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) চট্টগ্রাম মেরিন ফিসারীজ একাডেমিতে আয়োজিত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর প্রধান ও প্রকল্প পরিচালকদের সাথে মত বিনিময়কালে এসব কথা বলেন। মতবিনিময় অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন। এসময় চট্টগ্রাম মেরিন ফিসারীজ একাডেমির অধ্যক্ষ মাসুক হাসান আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, কাজে সততা প্রমাণ করতে হবে। ভালো কাজে পুরস্কার এবং খারাপ কাজে তিরস্কারের ব্যবস্থা আছে। কর্মকর্তাদের সরকার ভালো কাজের জন্য এনআইএস পুরস্কারের ব্যবস্থা রেখেছেন। সকলের একান্ত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এ মন্ত্রণালয়কে দেশের অর্থনীতিতে আরো অগ্রগামী ভূমিকা রাখার আহ¦ান জানান মন্ত্রী। তিনি আরো বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের দায়িত্বশীল হওয়া উচিত । প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই করোনাকালেও রোজ তিন চার টা ভার্চুয়াল প্রোগ্রাম করেছেন। কিন্ত তাঁর কর্মচারীরা কাজে ফাঁকি দিবেন, এটা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য করে মন্ত্রী বলেন, কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে গভেষণায় মনোনিবেশ করতে হবে। কাজে গতিশীলতা আনতে হবে। স্থানীয় জনগণকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: মো. রেয়াজুল হক জানান, চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে সরকারি ছাগলের খামার রয়েছে। এখানে বর্তমানে ৬৫০ টি ছাগল রয়েছে। তাদের এ অর্থ বছরে ১৬০ টি ছাগল ন্যায্যমূল্যে বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। ইতোমধ্যে ১৩০ টি ছাগল উদ্যোক্তাদের মধ্যে বিক্রি করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, এতে বেকারত্ব কিছুটা হলেও হ্রাস পাবে।
প্রাকৃতিক মজুদ কাপ্তাই লেকের মাছ সংরক্ষণ করার জন্য কাচঁকি মাছ ধরার জাল নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব করেন উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ। কাপ্তাই লেকে মৎস্য সম্পদ রক্ষার জন্য ছোট কাঁচকি মাছ ধরাও বন্ধ করার প্রস্তাব জানানো হয়। কাচঁকি মাছের সাথে অন্য মাছের পোনা ধরা হয়। এর সাথে কাপ্তাই লেকে ৬ মাস মাছ ধরা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার প্রস্তাব পেশ করেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা।
কৃষকদের গরু পালনে আগ্রহ বাড়ানোর জন্য গরুর দুধের মূল্য নির্ধারণ করার কথা জানানো হয়। গুড়ো দুধের পরিবর্তে দেশী দুধ দিয়ে মিষ্টি তৈরি করার প্রস্তাব জানানো হয়। গুড়ো দুধ আমদানির হার কমানোর অনুরোধ করা হয়।
Developed By Muktodhara Technology Limited