image

আজ, শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬ ইং

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় অস্ত্র ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার-২

নিজস্ব প্রতিবেদক    |    ০০:২৪, নভেম্বর ৬, ২০২০

image

চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া থানার শাহ আমানত সেতু এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই ইয়াবা ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে বাকলিয়া থানা  পুলিশ । গ্রেপ্তারকৃত একজনের কাছে একটি বিদেশি পিস্তলও পাওয়া যায়।

বাকলিয়া থানা  পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত  দু’জন কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের কাছে অস্ত্র সরবরাহ করে আসছে। ইয়াবা ব্যবসা করে যা আয় হয় তা দিয়ে আবার অস্ত্র কিনে তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিক্রি করে। 

তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে মো. কামাল (৪০) নামে আরেকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নগর পুলিশের চকবাজার জোনের সহকারি কমিশনার মোহাম্মদ রাইসুল ইসলাম।

পুলিশ কর্মকর্তা রাইসুল ইসলাম জানান, গ্রেফতারকৃত আব্দুর রাজ্জাক ও কামালের বাড়ি টেকনাফের লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাশে। তারা বাংলাদেশী নাগরিক হলেও কামাল লেদা ক্যাম্পে বসবসারত এক রোহিঙ্গা নারীকে বিয়ে করেছেন।

গ্রেফতারের সময় আব্দুর রাজ্জাকের কাছে একটি আমেরিকান তৈরি পিস্তল ও দুটি ম্যাগজিন পাওয়া গেছে।

জিজ্ঞাসাবাদে রাজ্জাক জানান, তিনি ঢাকায় এক ব্যবসায়ীর কাছে ইয়াবা পৌঁছে দিয়ে তার কাছ থেকে অস্ত্রটি সংগ্রহ করেন। সেটি কামালের কাছে হস্তান্তর করার কথা ছিল।

বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন  জানান, রাজ্জাক ও কামাল সংঘবদ্ধ ইয়াবা ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের হোতা। তাদের সিন্ডিকেটে উখিয়া-টেকনাফে বসবাসরত বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের নেতা, যাদের স্থানীয় ভাষায় মাস্টার বলা হয় তারাও জড়িত আছেন। এই সিন্ডিকেটের সদস্যরা বিভিন্ন বাহকের মাধ্যমে কখনো রোগী সাজিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে করে, আবার  সাংবাদিক বা প্রেস লেখা গাড়িতে, জুতা-ব্যাগের ভেতরে বিভিন্ন কৌশলে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে ইয়াবা পাচার করে আসছে।

ওসি নেজাম বলেন, ‘বাংলাদেশে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে তারা মিয়ানমার থেকে ইয়াবা আনে। সেটা দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাচার করে। ইয়াবার বিনিময়ে রাজ্জাক ও কামাল রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের কাছে অস্ত্র সরবরাহ করে। দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আমরা একজন রোহিঙ্গা নেতার বিষয়ে তথ্য পেয়েছি, যার নেতৃত্বে অন্তত ১০০ জন আছেন। ওই রোহিঙ্গা নেতার নেতৃত্বে তারা ইয়াবা সংগ্রহ ও পাচার এবং অস্ত্র সংগ্রহে যুক্ত।’

এ বিষয়ে আরও তথ্য পেতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গ্রেফতার দু’জনকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি নেজাম। আশা করছি অচিরেই বড় একটি সিন্ডিকেট আমরা ধরতে পারবো।



image
image

রিলেটেড নিউজ

Los Angeles

১২:৪১, মে ১৩, ২০২২

এক হাজার অটোরিক্সা ডাম্পিং করলো চট্টগ্রাম বিআরটিএ


image
image