শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ২১:০৩, জুন ২৪, ২০২১
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন, পাকিস্তানের সংবিধান প্রণয়ন, সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু, ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালের নির্বাচন এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা অর্জন- বাঙালির অধিকার আদায়ের সব দাবি ও অর্জনের সাথে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জড়িত। পরবর্তিতে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দেওয়া, জনকল্যাণমূখি রাজনীতির প্রবর্তন, মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার নিশ্চিতকরণসহ সব অর্জন আওয়ামী লীগের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়েছে। তাই আওয়ামী লীগ ছাড়া বাংলাদেশের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায়না। উপমহাদেশের সুপ্রাচীন এ দলটি এ কারণে জনগণের আকাঙ্খার দলে পরিণত হয়েছে।
মন্ত্রী বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, রাজনীতি যখন বুর্জোয়া আর ধণিক শ্রেণির কব্জায় চলে গিয়েছিল, রাজনীতি যখন সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ না করে শ্রেণি বিশেষের স্বার্থে ব্যবহার হচ্ছিল তখনই ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন তারিখে আওয়ামী লীগের জন্ম। জেলখানায় বন্দি থাকলেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রতিষ্ঠার সময় দলের যুগ্ম সম্পাদক মনোনীত হন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের অন্যতম নেতা হিসেবে সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে সংগ্রাম করে গেছেন। দেশকে স্বাধীন করে গেছেন। পরবর্তিতে দেশ পুনর্গঠনের সময়ে কিছু ষড়যন্ত্রকারী দ্বারা নির্মমভাবে শহিদ হয়েছেন। এরমধ্যেও ১৯৭৪-৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার শতকরা ৭.৪ ভাগ জিডিপি অর্জন করতে পেরেছেন। পরবর্তি কোন সরকার জিডিপি’র সে হার অতিক্রম করতে পারেনি। একমাত্র বঙ্গবন্ধু কন্যাই ২০১৬-১৭ অর্থবছরে জিডিপি’র সে হার অতিক্রম করতে পেরেছেন। তাইতো বিশে^ বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, রাজনীতি সাধারণ মানুষের সেবার জন্য- বিত্ত বৈভবের জন্য নয়। মানুষের কল্যাণে কাজ করাই আওয়ামী লীগের দর্শন। আওয়ামী লীগ কর্মীদের তাই সাধারণ মানুষের কাছে যেতে হবে। তাদের সাথে মিশে তাদের চাহিদা মোতাবেক কাজ করতে হবে। উদ্বত আচরণ করা যাবেনা। সর্বক্ষেত্রে বিনয়ী হতে হবে। দায়িত্ববান হতে হবে। তিনি বলেন, উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে হলে ক্ষমতার ধারাবাহিকতা দরকার। আর ক্ষমতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে দলীয় নেতা-কর্মীদের সাধারণ মানুষকে আরো আপন করে নিতে হবে। ঐক্যবদ্ধ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করতে হবে।
উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উত্তর জেলা সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মঈন উদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ, এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, মিরসরাই উপজেলা চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান স্বজন কুমার তালুকদারসহ অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তৃতা করেন।
Developed By Muktodhara Technology Limited