শিরোনাম
মোহাম্মদ ওমর ফারুক দেওয়ান | ২২:৪৬, মার্চ ১৩, ২০২১
অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল আসগর খানের উপরের কথাখানি বাংলাদেশের জন্য তখন শতভাগ খাটি বলে বিবেচিত হল। তিনি ১২ই মার্চে লাহোরে এক জনসভায় উক্ত মন্তব্য করেন এবং একে ভাগ্যের পরিহাস বলে মন্তব্য করেন। বঙ্গবন্ধুর সাথে সাক্ষাৎ করে তিনি স্পষ্ট হলেন যে বঙ্গন্ধু প্রকৃত অর্থেই দেশের অখন্ডতা বজায় রাখতে চান। আর সেটা ৬-দফা মেনে। কিন্তু ভ‚ট্টোর একরোখা উদ্ধত আচরণের জন্য এবং সামরিক বাহিনীর উচ্চাভিলাসী মনোভাবের জন্য তা সম্ভব হয় নি। এমন কি সকল মহল থেকে আশঙ্কা ও উৎকণ্ঠা প্রকাশের পরও সামরিক প্রতিভু ইয়াহিয়া ক্ষমতা হস্তান্তর করতে রাজি হন নি। এসময় টেলিগ্রাফ পত্রিকার আরেকটি মন্তব্য প্রণিধানযোগ্য- ‘পাকিস্তানে ‘ইসলাম’ এবং ‘ভৌগোলিক অবস্থানের’ মধ্যে বর্তমানে তীব্রভাবে বিপরীত দিকে টানাটানি চলিতেছে যে, সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হইয়া পড়ার আশঙ্কা দেখা যাইতেছে।’
আমি তারস্বরে এই হুশিয়ারীই উচ্চারণ করিয়া যাইব-আসগর খান
অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল আসগর খান জাতীয় অখন্ডতা রক্ষার জন্য অবিলম্বে রাষ্টনায়কোচিত তৎপরতা প্রদর্শনের আকুল আহŸান জানাইয়াছেন। পশ্চিম পাকিস্তানের জনসাধারণকে হুশিয়ার করিয়া দিয়া তিনি বলেন যে, দেশের পূর্ব ও পশ্চিমা ল বিচ্ছিন্ন হইয়া গেলে পশ্চিমা ল কিছুতেই ৫ বৎসরের বেশি টিকিয়া থাকিতে পারিবে না।
ঢাকা হইতে প্রত্যাবর্তনের পর তাঁহার দ্বিতীয় সাংবাদিক সম্মেলনে আজ লাহোরে তিনি আবেগকম্পিত কণ্ঠে তিনি বলেন, সবচাইতে দুর্ভাগ্যের ব্যাপার এই যে, পশ্চিমা লের কিছু লোক বলিয়া বেড়াইতেছেন, পূর্ব পাকিস্তান যখন যাইবেই তখন যত তাড়াতাড়ি যায় ততই মঙ্গল। কিন্তু তাঁহারা ভাবিয়া দেখিয়াছের কি, এই পন্থায় তাহারা রোগীর মৃত্যুকাল উপস্থিত ভাবিয়া তাহাকে গলা টিপিয়া হত্যা করারই পরামর্শ দিতেছেন। দেশকে খন্ড-বিখন্ড হইয়া যাওয়ার হাত হইতে রক্ষা করার জন্য আমাদের হাতে সময় খুবই সঙ্কীর্ণ-এই কারণের পশ্চিম পাকিস্তানীদের উদ্দেশে আমি এই সতর্কবাণী উচ্চারণ করিয়া বেড়াইতেছি।
প্রকারন্তরে জনাব ভ‚ট্টোর ২৮শে ফেব্রুয়ারীর বক্তৃতার কথা উল্লেখ করিয়া তিনি বলেন, দোষ করা হইল লাহোরে এবং বুলেট বর্ষিত হইল ঢাকায়Ñইহাই ভাগ্যের পরিহাস। যাঁহারা শক্তিবলে পূর্ব পাকিস্তানীদেরকে দাবাইয়া রাখার কথা বলিতেছেন, তাহারা এতই খাটো বুদ্ধির যে, তাঁহারা কি বলিতেছেন তাহা তাহারা ভাল করিয়া জানেন না। এই ধরণের কথা বলা নিছক পাগলামি ছাড়া আর কিছুই নয়। এখন আর আন্দোলন করার সময় নাই। তাই আমার কণ্ঠ স্তদ্ধ করিয়া না দেওয়া পর্যন্ত তারস্বরে আমি এই সতর্কবাণী উচ্চারণ করিয়া যাইব। তিনি বলেন, ইসলামের নামে প্রতিষ্ঠিত একটি দেশ ইহার জন্মের পর মাত্র ২৫টি বৎসর না যাইতেই ধ্বংস হইয়া গেলে ইসলামী বিশ^াসের ইতিহাসে ইহার চাইতে বড় বিপর্যয় আর কিছু হইতে পারে না।-----।
কোন দেশপ্রেমিকই মুজিবের পূর্ব শর্তের বিরোধিতা করিতে পারে না- সি. আর. আসলাম
শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণের ব্যাপারে যে সব পূর্ব শর্ত উত্থাপন করিয়াছেন উহা মানিয়া লওয়ার জন্য পিকিংপন্থী ন্যাপের সেক্রেটারী জেনারেল জনাব সি. আর. আসলাম আজ লাহোওে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার প্রতি আহŸান জানান।
সংবাদপত্রে প্রদত্ত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সামরিক শাসন প্রত্যাহার, সেনা বাহিনীকে ছাউনিতে ফিরাইয়া নেওয়া, গুলীবর্ষণের ঘটনার তদন্তানুষ্ঠান এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর সংক্রান্ত পূর্ব শর্তগুলি এমনই যে, দেশ জনগণের এবং গণতান্ত্রিক কোন লোকই এগুলির বিরোধিতা করিতে পারে না। পাকিস্তানের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ এইসব পূর্বশর্ত মানিয়া লওয়া উচিত।---।
পাকিস্তান দিবসের কুচকাওয়াজ ও খেতাব বিতরণ বাতিল
২৩শে মার্চ পাকিস্তান দিবসের নির্ধারিত সম্মিলিত সশস্ত্র বাহিনীর কুচকাওয়াজ ও অন্যান্য অনুষ্ঠান বাতিল করা হইয়াছে বলিয়া আজ রাওয়ালপিন্ডি ইন্টার সার্ভিসেস পাবলিক রিলেসন্স ডিরক্টরেটের এক প্রেস রিলিজে বলা হইয়াছে।
মুজিব সকাশে
জাতীয় লীগ সভাপতি জনাব আতাউর রহমান খান এবং পাঞ্জাবের কাম্বেলপুর হইতে নির্বাচিত জাতীয় পরিষদ সদস্য ও কাউন্সিল মুসলিম লীগ নেতা পীর সাইফুদ্দিন গতকাল পৃথক পৃথকভাবে আওয়ামী লীগ প্রধান শেক মুজিবুর রহমানের সহিত তাঁহার ধানমন্ডীস্থ বাসভবনে সাক্ষাৎ করেন।
গমবাহী জাহাজ করাচী প্রেরণে উৎকণ্ঠা-ক্যাপ্টেন মনসুর আলীর বিবৃতি
বাংলা দেশের ঘূর্ণিদুর্গত মানুষের জন্য প্রেরিত গম বোঝাই মার্কিন জাহাজের গতি পরিবর্তন করিয়া করাচী অভিমুখে প্রেরণের খবরে বঙ্গীয় পরিষদে আওয়ামী লীগ দলের নেতা ক্যাপ্টেন মনসুর আলী উৎকণ্ঠা প্রকাশ করিয়াছন।
গতকাল সংবাদপত্রে প্রেরিত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন যে, ইসলামাবাদের কেন্দ্রীয় আমলাদের একটি অংশ বাংলা দেশের অর্থনীতিকে সম্পূর্ণ পঙ্গু করার জন্য চিরাচরিত সু² পন্থার আশ্রয় গ্রহণ করিয়া আসিতেছেন। শোষণের চাবিকাঠি নিয়ন্ত্রণ করিয়া বাংলা দেশকে শোষন করার জন্য মরণকামড় স্বরূপ এই ক্ষমতা প্রয়োগ করিয়াছেন।---।
‘স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় সংগ্রাম পরিষদের’ হুশিয়ারী
‘স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় সংগ্রাম পরিষদের’ চার জন সদস্য গতকাল এক বিবৃতিতে স্বাধীনতা সংগ্রাম বানচাল প্রয়াসী বৃহৎ ব্যবসায়ী ও মজুদদারদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে বলিয়া সতর্কবাণী উচ্চারণ করেন।
বিবৃতিতে তাঁহারা গভীর ক্ষোভের সঙ্গে বলেন যে, ‘বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রামকে’ বিঘ্ন-সঙ্কুল করিবার জন্য এক শ্রেণীর বৃহৎ ব্যবসায়ী ও মজুদদারগণ ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র শুরু করিয়াছেন। তাহারা নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি মজুদ করিয়া কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি ও মূল্য বৃদ্ধির চেষ্টা করিতেছেন। সংশ্লিষ্ট মহলের এহেন কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারী উচ্চারণ করিয়া বিবৃতিদাতারা অবিলম্বে এসব বন্ধের আহবান জানান।
বাংলার কোথাও অফিস-আদালত নাই, ট্যাক্স নাই- আছে শুধু কালো পতাকা ও সংগ্রামের ডাক
পাবনা ঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে স্বার্থকভাবে পাবনায় অসহযোগ ও অহিংস আন্দোলন চলিতেছে। দেওয়ানী ও ফৌজদারী আদালতসহ সকল সরকারী-বেসরকারী ও আধা-সরকারী অফিস এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ বন্ধ রহিয়াছে। সকল গৃহশীর্ষে কৃষ্ণ পতাকা উড্ডীন করা হইয়াছে।
নওগাঁ : ডাক ও তার বিভাগ ব্যতীত নওগাঁর সকল সরকারী অফিসে স্বার্থকভাবে কর্মবিরতি চলিতেছে।---।
পটুয়াখালী : পটুয়াখালী জেলায় স্বার্থকভাবে হরতাল প্রতিপালিত হইয়াছে। জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটগণসহ সকল শ্রেণীর কর্মচারীগণ কাজে যোগদান হইতে বিরত রহিয়াছেন।
হাতিয়া : নিরস্ত্র জনগণকে গুলী করিয়া হত্যা করার প্রতিবাদে হাতিয়া থানা সংগ্রাম কমিটির উদ্যোগে গতকাল অপরাহ্নে স্থানীয় ডাকবাংলো ময়দানে এক বিরাট জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগ মহিলা শাখার উদ্যোগে গতকল্য বেলা তিনটায় জে. এম. সেন হলে এক বিরাট মহিলা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মাগুরা : মহানায়ক শেক মুজিবুর রহমানের আহŸানে সাড়া দিয়াএখানকার সকল সরকারী কর্মচারী, আইনজীবী ও শিক্ষকবৃন্দ কর্মবিরতি অব্যাহত রাখিয়াছেন।
জামালপুর : গতকল্য বিকালে এখানে শেখ মুজিব কর্তৃক ঘোষিত দাবীর সমর্থনে ছাত্র-শিক্ষক, আইনজীবী, চিকিৎসক সকরবারী কর্মচারী, শ্রমিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মী এবং সকল শ্রেণীর জনসাধারণের এক বিরাট শোভাযাত্রা বাহির হয়।
ফরিদপুর : ফরিদপুরের জেলা, মহকুমা ও থানা পর্যায়ের সকল সরকারী কর্মচারী কাজে যোগদানে বিরত থাকায় অফিস-আদালতের কাজ বন্ধ রহিয়াছে।
বগুড়া : বাংলা দেশের ৭ কোটি মানুষের স্বাধীকার আন্দোলনে সমগ্র বগুড়া জেলায় ব্যাপক সাড়া পড়িয়াছে।
‘আমরা শপথ নিলাম-
বাংলার সার্বিক মুক্তি সংগ্রামের প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গত ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বাংলার জনগণের প্রতি যে আহবান জানাইয়াছিলেন, তাঁহার এই আহবানের প্রতি সাড়া হিসেবে আজ বাংলার হাটে-গঞ্জে, শহরে-বন্দরে গড়িয়া উঠিতেছে “সংগ্রাম কমিটি।” আর এই সংগ্রাম কমিটিগুলি বঙ্গবন্ধুর নির্দেশ অনুযায়ী বাংলার প্রতিটি ঘরকে এক-একটি দুর্গ হিসাবে গড়িয়া তোলা এবং যে-কোন মূল্যে বাংলার জনগণের প্রতি পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠীর অবমাননার অবসান এবং বাংলার মুক্তির শপথ গ্রহণ করিতেছে।---।
‘শক্তি প্রয়োগ নিষ্ফল ও বিপজ্জনক হইবে’-পাকিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে ডেইলী টেলিগ্রাফের মন্তব্য
লন্ডনের প্রভাবশালী পত্রিকা ডেইলী টেলিগ্রাফ বাংলা দেশের বর্তমান গতি-পরিণতি সম্পর্কে এক সম্পাদকীয় নিবন্ধে বলেন যে, বিশেষ করিয়া নদীপথে তিন সপ্তাহের পথ পশ্চিম পাকিস্তানের সঙ্গে দেশের অপর অংশের ঐক্য বজায় রাখার জন্য শক্তি প্রয়োগ “একটি নিস্ফল ও বিপজ্জনক পন্থা” হইবে।
গত ৩রা মার্চ সংখ্যায় (ঢাকায় বিলম্বে প্রাপ্ত) প্রকাশিত “পাকিস্তানের অগ্নিপরীক্ষা” শীর্ষক এক সম্পদকীয় নিবন্ধে মন্তব্য করা হয় যে, আরোগ্যাতীত সেই একই ব্যাধি, যাহা ১৯৫৮ সালে গণতন্ত্রের অবসান ঘটাইয়াছিল, এক্ষণে তাহাই এক অনিয়ন্ত্রণযোগ্য তীব্রতা লইয়া আত্মপ্রকাশ করিয়াছে। দরিদ্র, অত্যাধিক জনবহুল ও অবহেলিত পূর্বা লের সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালীরা আর শক্তিশালী সামরিক ঐতিহ্যের অধিকারী পশ্চিমা শাসকদের শোষণ ও অবহেলার নিকট নতি স্বীকার করিতে রাজী নয়।
পত্রিকাটিতে বলা হয়, পূর্বাঞ্চলে শেখ মুজিবুর রহমান সমগ্র দেশে সুস্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভের পক্ষে যথেষ্ঠ ভোট পান। তিনি কেবল দেশরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয় কেন্দ্রের হাতে ছাড়িয়া দিয়া স্বায়ত্তশাসন এবং ভারতের সহিত বন্ধুত্বের পক্ষে প্রচার চালান। পশ্চিমাঞ্চলে উগ্র ভারতবিরোধী জনাব ভুট্টো বাজিমাত করেন। তিনি গণপরিষদে যোগদানের জন্য ঢাকায় আসিতে অবজ্ঞাভরে অস্বীকার করেন। পরিষদের অধিবেশন হইলে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে একটি ফেডারেশন গঠিত হইতে পারিত। পরিষদের অধিবেশন স্থগিত রাখা হইলে পূর্বাঞ্চলে হরতাল হয়।
পত্রিকাটি বলেন, বর্তমানে এরূপ লক্ষণ দেখা যাইতেছে যে, পাকিস্তানের ঐক্য বজায় রাখার জন্য সেনাবাহিনী বল প্রয়োগ করিতে ইচ্ছুক।
ডেইলী টেলিগ্রাফে আরও বলা হয় : পাকিস্তানে ‘ইসলাম’ এবং ‘ভৌগোলিক অবস্থানের’ মধ্যে বর্তমানে তীব্রভাবে বিপরীত দিকে টানাটানি চলিতেছে যে, সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হইয়া পড়ার আশঙ্কা দেখা যাইতেছে।
লেখকঃ মোহাম্মদ ওমর ফারুক দেওয়ান, পরিচালক, প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)।
১৯৭১ সালের ১২ মার্চ : কুর্মিটোলা মার্শাল ল’ অফিস ছাড়া কোথাও পাকিস্তানী পতাকা ওড়ে নাই
বিদেশী সাংবাদিকদের প্রতি শেখ মুজিবের আহবান
পূর্বাঞ্চলে যে ‘ভয়াবহ অবস্থা’ চলিতেছে, পশ্চিম পাকিস্তানের লোকেরা তাহা জানে না
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের শর্ত মানিয়া লও
এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম : বঙ্গবন্ধু
ঢাকার রাজপথে স্বাধিকারকামী জনতার দৃপ্ত পদচারণা কন্ঠে কন্ঠে ক্ষুব্ধ গর্জন, প্রাণে প্রাণে সংগ্রামী শপথ
ঢাকার উত্তপ্ত রাজপথ, নানা জল্পনা-কল্পনা ও রাজনৈতিক ধোঁয়াশায় কাটে ৬ই মার্চ
দেশে যদি বিপ্লবের প্রয়োজন দেখা দেয়, তবে সে বিপ্লবের ডাক আমিই দিব, আমিও কম বিপ্লবী নই: বঙ্গবন্ধু
দানবের সঙ্গে সংগ্রামের জন্য যেকোন পরিণতিকে মাথা পাতিয়া বরণের জন্য আমরা প্রস্তুত : বঙ্গবন্ধু
৩ হইতে ৬ মার্চ প্রতিদিন সকাল ৬টা হইতে দুপুর ২টা পর্যন্ত সমগ্র প্রদেশে হরতাল পালন করুন : বঙ্গবন্ধু
২ মার্চ বঙ্গবন্ধুর সাংবাদিক সম্মেলন
আসুন, পরিষদেই সমাধান খোঁজা হইবে : বঙ্গবন্ধু
প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও মর্যাদা : প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ
ঘুরে আসুন সাজেক, খেয়াল রাখবেন কিছু বিষয়ে
নারী ও শিশু নির্যাতন: সভ্য সমাজের বর্বর বার্তা
Developed By Muktodhara Technology Limited